April 19, 2026, 12:40 pm

পোলিও খাওয়া হলো না শিশুটির, ঘাতক ট্রাক কেড়ে নিল শিশুর প্রাণ

বেনাপোল প্রতিনিধি: শার্শা উপজেলার কন্যাদাহ গ্রামে একটি বালুবাহী ট্রাকের চাপায় তামিম ইকবাল নামের ৪ বছরের এক শিশু নিহত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৪ ডিসেম্বর) সকালে রামপুর-কন্যাদহ সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে। তামিম ইকবাল উপজেলার কন্যাদাহ গ্রামের কোরবান আলীর ছেলে।

পুলিশ এবং পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার সকাল ১১টার দিকে তামিম ও তার বড় ভাই বাধন সাইকেলে করে কন্যাদাহে গ্রামে অবস্থিত স্বাস্থ্য কেন্দ্রে পোলিও টিকা খাওয়ার জন্য যাচ্ছিলো। পথিমধ্যে কন্যাদাহ বাজারে পৌঁছালে বালুবাহী একটি ট্রাক (ঢাকা মেট্রো-ট-১৪-১৭১১) তাকে চাপা দিলে ঘটনাস্থলে তার মৃত্যু হয়।

শার্শা থানার অফিসার ইনচার্জ মো. বদরুল আলম খান বলেন খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। পরে চালক ও হেলপারকে আটকসহ ট্রাকটি জব্দ করা হয়েছে।

এই বিভাগের আরও খবর


অ্যামোনিয়া সংকটের কারণে চট্টগ্রামের আনোয়ারায় অবস্থিত দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত ডাই-অ্যামোনিয়া ফসফেট ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল) সারকারখানার উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে। শনিবার (১৮ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে কারখানার অ্যামোনিয়া মজুদ শেষ হয়ে গেলে কর্তৃপক্ষ সার উৎপাদন বন্ধ করতে বাধ্য হয়। ডিএপিএফসিএল সূত্রে জানা গেছে, গত ৪ মার্চ গ্যাস সংকটের কারণে চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (সিইউএফএল) এবং কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (কাফকো)-তে ইউরিয়া সার ও অ্যামোনিয়া উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। অথচ ডাই-অ্যামোনিয়া ফসফেট ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল) প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এই দুই কারখানা থেকে অ্যামোনিয়া সংগ্রহ করে সার উৎপাদন চালিয়ে আসছিল। ফলে সিইউএফএল ও কাফকো বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ডিএপিএফসিএলে অ্যামোনিয়া সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে পড়ে। এ অবস্থায় মজুদ অ্যামোনিয়া ব্যবহার করে কিছুদিন উৎপাদন অব্যাহত রাখা হলেও শেষ পর্যন্ত শনিবার সন্ধ্যায় তা ফুরিয়ে যায় এবং উৎপাদন বন্ধ ঘোষণা করা হয়। দেশের কৃষি খাতে সুষম সার ব্যবহারের নিশ্চয়তা এবং নাইট্রোজেন ও ফসফরাসসমৃদ্ধ যৌগিক সারের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে বিসিআইসি নিয়ন্ত্রিত এই কারখানাটি প্রতিষ্ঠিত হয়। চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার রাঙ্গাদিয়ায় স্থাপিত কারখানাটিতে দৈনিক ৮০০ মেট্রিক টন উৎপাদনক্ষমতাসম্পন্ন দুটি ইউনিট (ডিএপি-১ ও ডিএপি-২) রয়েছে। ২০০৬ সাল থেকে কারখানাটি বাণিজ্যিক উৎপাদনে রয়েছে। ডিএপিএফসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মঈনুল হক জানান, গত ৪ মার্চ থেকে অ্যামোনিয়া সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। মজুদ দিয়ে উৎপাদন চালানো হলেও এখন তা শেষ হয়ে গেছে। অ্যামোনিয়া সরবরাহ পুনরায় চালু না হওয়া পর্যন্ত কারখানার উৎপাদন বন্ধ থাকবে।

ফেসবুকে আমরা